লোকেশন: পূর্ব নামাপাড়া, খিলক্ষেত (বসুন্ধরা G ব্লকের ঠিক বিপরীতে, ৩০০ ফিট হাইওয়ের পাশে, ICCB-এর কাছাকাছি এবং ভবিষ্যৎ MRT Line–1 স্টেশন থেকে মাত্র ২ মিনিট হাঁটা পথ।)
১৬০ কাঠা জমি
১৪৫০ এবং ১৮০০ স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাট
বুকিং শুরু মাত্র ৫ লক্ষ টাকা
জমির শেয়ার ও নির্মাণ খরচসহ সম্ভাব্য মোট বিনিয়োগ ৫৫–৬০ লক্ষ টাকা
হ্যান্ডওভারের সময় (২০৩০ সালে) সম্ভাব্য মূল্য ১.১০–১.২০ কোটি টাকা
দাম শুনে কি একটু থমকে যাচ্ছেন?
একটি ফ্ল্যাটের এমন আকাশচুম্বী দাম শুনে কি কখনও মনে হয় ঢাকার প্রাইম লোকেশনে নিজের একটি ঠিকানা গড়া যেন প্রায় অসম্ভব? বাস্তবতা হলো, ঢাকার প্রাইম লোকেশন গুলোতে প্রপার্টির দাম এখন অনেকের নাগালের বাইরে।
উদাহরণস্বরূপ, Bashundhara R/A, G-Block-এ একটি রেডি ফ্ল্যাট কিনতে প্রতি স্কয়ার ফিটের দাম গুনতে হবে প্রায় ১০,০০০–১৩,০০০ টাকা।
এমনকি খিলক্ষেতের নামাপাড়াতেও একটি রেডি ফ্ল্যাট কিনতে গেলে প্রতি স্কয়ার ফিটের দাম প্রায় ৭,০০০–৯,০০০ টাকা।
এখানে আপনি নিজের নামে জমির মালিক হয়ে মাত্র ৪,১০০–৪,২০০ টাকা (জমি + সম্ভাব্য নির্মাণ খরচ) ব্যয়ে গড়ে তুলবেন আপনার স্বপ্নের লাক্সারি অ্যাপার্টমেন্ট।
(রেডি ফ্ল্যাট)
মূল্য: প্রতি স্কয়ার ফিট
১০,০০০ – ১৩,০০০ টাকা
১৩০০ স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাটে খরচ ১.৫ – ২ কোটি টাকা
(রেডি ফ্ল্যাট)
মূল্য: প্রতি স্কয়ার ফিট
৭,০০০ – ৯,০০০ টাকা
১৩০০ স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাটে খরচ ৯০ – ১২০ লাখ টাকা
সেরা সুযোগ
(ল্যান্ড-বেইজড কনডোমিনিয়াম)
মূল্য: প্রতি স্কয়ার ফিট
৪,১০০–৪,২০০ টাকা
মোট আনুমানিক খরচ মাত্র ৫৪–৫৮ লাখ টাকা
১৩০০+ স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাট | ২৬.১৮ কাঠা জমি | ২০ ফিট ও ৪০ ফিট রাস্তা
Lakeview Vista প্রকল্পে আপনি শুধু একটি ফ্ল্যাটই পাচ্ছেন না, পাচ্ছেন একটি পরিকল্পিত আবাসন যেখানে আরামদায়ক বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই থাকবে।
B+G+14 তলা বিশিষ্ট ভবনের প্রতি ফ্লোরে থাকবে ১০টি ইউনিট। প্রতি মালিক পাবেন প্রায় ১৩০০+ স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাট:
অতিরিক্ত ১৫০ স্কয়ার ফিট কমন এরিয়া সুবিধা, যার জন্য আলাদা কোনো অতিরিক্ত খরচ দিতে হবে না।
পরিকল্পিত কমিউনিটি যেখানে আধুনিক জীবনযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় সব সুবিধা রাখা হয়েছে।
১১০ জন মালিকই কমার্শিয়াল অংশেরও অংশীদার থাকবেন, যা ভবিষ্যতে অতিরিক্ত মূল্য তৈরি করতে পারে।
জমির রেজিস্ট্রি এবং বিল্ডিং পরিকল্পনা
পাইলিং এবং মূল কাঠামো নির্মাণ
ইন্টেরিয়র এবং ফিনিশিং কাজ
সম্পূর্ণ নির্মাণ শেষ এবং প্রকল্প হস্তান্তর
মাত্র ৩ লক্ষ টাকা দিয়েই শুরু নিজের জমিতে ভবিষ্যতের আবাসন
সাধারণত একটি ফ্ল্যাট কিনলে আপনি শুধু একটি কংক্রিটের ইউনিটের মালিক হন। কিন্তু Lakeview Vista-তে বিষয়টি ভিন্ন। এখানে প্রথমেই আপনি নিজের নামে জমির মালিকানা নিশ্চিত করেন, এরপর সেই জমির উপরই গড়ে উঠবে আপনার ভবিষ্যতের ফ্ল্যাট।
মাত্র
বুকিং দিয়ে এই কমিউনিটির অংশ হতে পারেন
মোট ২৬ লক্ষ টাকায় (রেজিস্ট্রেশনসহ) আপনি নিশ্চিত করছেন প্রায় ০.২৩৮ কাঠা জমির শেয়ার, যা সরাসরি আপনার নিজের নামে সাফ কবলা (Saf Kabala) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
বুকিংয়ের পর ৩ মাসের মধ্যেই বাকি অর্থ পরিশোধ করে জমির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার সুযোগ থাকবে।
এরপর ভবনের নির্মাণ খরচ ধাপে ধাপে সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করার সুবিধা থাকবে।
ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে ২০টি কমার্শিয়াল ইউনিটের অংশীদারিত্ব
বিল্ডিংয়ের নিচের ২ তলায় মোট ২০টি কমার্শিয়াল ইউনিট রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মালিকদের জন্য বাড়তি মূল্য এবং আয়ের সুযোগ তৈরি করবে।
১০টি ইউনিট ব্যবহার হবে দৈনন্দিন সুবিধার জন্য:
অন্য ১০টি কমার্শিয়াল ইউনিটের শেয়ার ভবিষ্যতে বিক্রি করা হবে।
প্রায় ৩ কোটি টাকা
ফলে জমির কার্যকর খরচ ২৬ লক্ষ থেকে কমে প্রায় ২৩.২৫ লক্ষ টাকায় নেমে আসতে পারে।
তাই Lakeview Vista শুধু একটি বাসা নয়, এটি হতে পারে—
🏠 আপনার পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা
📍 একটি প্রাইম লোকেশনে জমি-ভিত্তিক সম্পদ
📈 এবং ভবিষ্যতের একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ
গড়ে তুলুন আপনার পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা
• ভবিষ্যৎ MRT Line-1 Bashundhara Station: মাত্র ৩ মিনিট হাঁটার পথ
• ৩০০ ফিট হাইওয়ে: ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দ্রুত যাতায়াত
• Milestone School & College
• Viqarunnisa Noon School
• North South University (NSU)
• AIUB
• IUB
সব মাত্র ৫–১০ মিনিটের দূরত্বে
• Jamuna Future Park: মাত্র ৩–৫ মিনিট দূরত্বে
• Bashundhara Shopping Complex-3: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ নির্মাণাধীন শপিং কমপ্লেক্স
• Evercare Hospital: মাত্র ৫ মিনিট দূরত্বে
নিশ্চিত হোক আপনার বিনিয়োগ
রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জমির মালিকানা, আইনি নিরাপত্তা এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা। Lakeview Vista প্রকল্পে প্রতিটি ধাপ রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য।
আমরা চাই বিনিয়োগের আগে আপনি সবকিছু নিজেই যাচাই করে নিন। চাইলে আমাদের পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন।
১১০টি শেয়ারের মধ্যে বাকি আছে মাত্র কয়েকটি
৯৫ লাখ বা ১ কোটি টাকার রেডি ফ্ল্যাট নয়। স্মার্টভাবে মাত্র ৫৬–৫৮ লাখ টাকার মোট বিনিয়োগে নিশ্চিত করুন নিজের নামে জমি এবং ভবিষ্যতের একটি আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট।
৫৪–৫৮ লক্ষ
১.২–১.৩৫ কোটি
৯০%–১৩০%
অর্থাৎ সময়ের সাথে সাথে এই বিনিয়োগটি প্রায় দ্বিগুণ মূল্যমানের সম্পদে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
হ্যাঁ। বুকিং করার পর নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ সম্পন্ন হলে সাধারণত প্রায় ৩ মাসের মধ্যে জমির শেয়ার সরাসরি আপনার নিজের নামে সাফ কবলা রেজিস্ট্রি করা হবে। অর্থাৎ ভবন নির্মাণ শুরু হওয়ার আগেই আপনি জমির আইনগত মালিক হয়ে যাবেন।
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর আপনি রেজিস্টার্ড দলিল, মিউটেশনসহ সকল প্রয়োজনীয় মালিকানার ডকুমেন্ট পাবেন, যা বাংলাদেশের প্রচলিত জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রদান করা হবে।
১১০ জন মালিকের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে, তখন সবাই মিলে ভবনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা, অনুমোদন এবং নির্মাণের কাজ শুরু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নির্মাণ খরচ বর্তমান বাজারদরের উপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেটা সব মালিকের সাথে আলোচনা করে সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নির্ধারণ করা হবে।
মোট ২০টি কমার্শিয়াল ইউনিটের মধ্যে ১০টি ইউনিট ভবিষ্যতে বিক্রি করা হলে তার আয় ১১০ জন মালিকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে। আর বাকি ইউনিটগুলোতে সুপার শপ, ফার্মেসি ইত্যাদি হলে সেখান থেকে পাওয়া ভাড়া ভবিষ্যতে মালিকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মালিকদের মধ্যে ভাগ করা বা সার্ভিস চার্জ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
হ্যাঁ, পারবেন। যেহেতু জমির শেয়ার আপনার নিজের নামে রেজিস্ট্রি থাকবে, তাই চাইলে আপনি আইনি নিয়ম মেনে আপনার শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবেন।
ব্যাংক লোন পাওয়া যাবে কি না সেটা ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা এবং প্রকল্পের অগ্রগতির উপর নির্ভর করবে। আগ্রহী ক্রেতারা চাইলে ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করে লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য একটি পরিষ্কার নীতিমালা থাকবে। সাধারণত সে ক্ষেত্রে ওই শেয়ারটি পুনরায় বিক্রি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে, যাতে প্রকল্পের কাজ বাধাগ্রস্ত না হয়।
না। জমির মূল্যের মধ্যেই রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশনের খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্মাণ খরচও স্বচ্ছভাবে নির্ধারণ করা হবে। এখানে প্রচলিত রেডি ফ্ল্যাট প্রকল্পের মতো ডেভেলপার প্রফিট মার্জিন বা লুকানো চার্জ নেই।
ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সব মালিকের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট নির্ধারণ করা হবে। এরপর প্রত্যেকে যে ফ্ল্যাটটি পাবেন, তার ভিত্তিতে সব মালিক মিলে আনুষ্ঠানিকভাবে বণ্টননামা (Bonton Nama) দলিল সম্পন্ন করবেন, যাতে ফ্ল্যাটের মালিকানা আইনগতভাবে নির্ধারিত হয়।
ভবনে যতগুলো গ্যারেজ বা পার্কিং স্পেস থাকবে, সেগুলোর জন্য আলাদা লটারি করা হবে। লটারিতে যিনি গ্যারেজ পাবেন, তিনি চাইলে নির্ধারিত একটি সাধারণ মূল্য পরিশোধ করে সেটি নিজের কাছে রাখতে পারবেন, অথবা প্রয়োজনে অন্য কোনো মালিকের কাছে বিক্রিও করতে পারবেন।
জমির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর সব মালিকের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভবনের চূড়ান্ত নকশা ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনীয় স্থাপত্য নকশা, ইঞ্জিনিয়ারিং পরিকল্পনা এবং অনুমোদনের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।
© 2026 Lakeview Vista. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
নামাপাড়া, খিলক্ষেত, ঢাকা